সরকার ও আমজনতার চিন্তা বাড়িয়ে , আগামি ১৪ ডিসেম্বর আবার ভারত বন্ধের ডাক! আন্দোলন কারি কৃষকদের

 

কয়েকদিন আগেই সরকারের আনা নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে কৃষকরা। কিন্তু কয়েক দফা বৈঠকের পরেও সরকারের সাথে কৃষকদের সমস্যার কোনো সমাধান বের হয়নি। তবে বর্তমানে সরকারের দেওয়া প্রস্তাব মানতে নারাজ কৃষকরা। অপরদিকে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারের তরফ থেকে কৃষকদের জন্য আর কোনরকম প্রস্তাব পাঠানো হবে না। তবে সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে যে, কৃষকদের তরফ থেকে যে ১৫ টি দাবি জানানো হয়েছিল তারমধ্যে সরকার ১২ টি মেনে নিয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, কোনমতেই এই কৃষি আইন রদ করা হবে না। কারণ সরকার কৃষকদের কথা অনেক ভাবনা চিন্তা করার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েই আইন তৈরি করেন। সরকার কৃষকদের স্বার্থের কথা ভেবেই এই আইন লাগু করে।

তবে কৃষক নেতাদের তরফ থেকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই কৃষি আইন রদ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে পিছু হটবেন না। এছাড়া আগামী ১৪ ই ডিসেম্বর দেশজুড়ে রেললাইনে কৃষকদের নতুন করে অবরোধ করার হুঁশিয়ারি দেন সরকারকে। গত তিনদিন আগেই কৃষকদের তরফ থেকে বন্ধের ডাক দেওয়া হয়ছিল। এই কৃষকদের ডাকা বন্ধের মধ্যে অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারাও ও পার্টির যোগদান করেছিলেন। আবার ঠিক একইভাবে ১৪ ই ডিসেম্বর কৃষকদের রেল অবরোধ ঘোড়ার ডাক দেওয়ার পর চিন্তায় সরকার ও সাধারণ আমজনতা।

অতিমারির কারণে ডাকা দীর্ঘদিন সরকারি বন্ধের পর রেল চালু হয় তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে মানুষের জিবন যাত্রা। ঠিক এই অবস্থায় রেললাইনে যদি কৃষকরা দিনের পর দিন অবরোধ করে তবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ও দৈনন্দিন যাতায়াতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। আর এর মধ্যে কৃষকদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ১৪ ডিসেম্বর এই আন্দোলনকে সমর্থন করে ভারত বন্ধের মাধ্যমে ভারত করার দাবি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি টুইটারে ১৪ ই ডিসেম্বর বনধের ডাক ট্রেন করাও শুরু করে দিয়েছে। কৃষি আইন এর সমর্থনে মোদি সরকার আর আম্বানির বিরুদ্ধে ১৪ ডিসেম্বর নতুন করে ভারতবর্ষের দাগ দেওয়া হচ্ছে। আর টুইটারে এই ট্রেন চালু হওয়ার পর থেকেই সাধারণ আমজনতার মাথায় হাত পড়ে।