রাজ্য সংবাদ :বাজারে, দোকানে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। কোন কোন শহরে পেঁয়াজের দাম বেড়ে ১০০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পেঁয়াজের দামের নিম্ন গতি করার জন্য পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের উর্ধ্বসীমা বেঁধে দিল কেন্দ্র সরকার, ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। যাতে করে কিছুটা হলেও পেঁয়াজের দাম কমানো যায়।
গত মাসের ২৩ তারিখে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনের পর এই প্রথম কোনওপণ্য মজুদ করার উর্ধ্বসীমা বেঁধে দিল কেন্দ্র সরকার।কেন্দ্রের নির্দেশে বলা হয়েছে ২৩ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বড় পাইকারি ও খুচরা ও পাইকাররা ২৫ এবং ২ টনের বেশি পেঁয়াজ মজুদ করতে পারবে না। যদি বেআইনিভাবে কেউ মজুদ করার চেষ্টা করে তাহলে সরকারের তরফ থেকে আইনাঅানিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন। কেন্দ্রীয় ক্রেতা বিষয়ক মন্ত্রকের সচিব সাংবাদিকদের বলেছেন, বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়বে তা আগে থেকেই ব্যবসায়ীরা টের পেয়ে প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ করে রাখতেন আর বেশি পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছিলেন। এর ফলে বাজারে পেঁয়াজের মজুদ কমছিল। ফলে দাম ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। এটা যাতে আর না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে।

 

 

সরকারের একটি রিসার্চ টিম জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস থেকেই খাদ্য সামগ্রী মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিচ্ছে।সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে আগামী ৩ মাস পর্যন্ত খাদ্য সামগ্রীর মূল্য কমানোর কোন লক্ষ্য দেখা যাচ্ছে না,বরং বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি মূল্য বাড়তে পারে আলু, পেঁয়াজ, টমেটো সামগ্রীর উপর ।
গত কয়েক মাস আগে থেকেই বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে আলু, পেঁয়াজের দাম। তাই সরকারের তরফ থেকে বর্তমানে বিদেশ থেকে আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে কমিয়ে দিয়েছে বিদেশে  রপ্তানি খাদ্য সামগ্রীর।

গত মাসের ২১ অক্টোবর সারাদেশে পেঁয়াজের মূল্য ছিল ৫৫-৬০ টাকা। যা গত বছরের তুলনায় ২২% বেশি। পরিসংখ্যান জানান বছরের শুরু থেকেই অতি ভারী বৃষ্টির কারণে অন্যের ক্ষতি হওয়ায় আলু ও পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে পড়েছে।