মোদির ডাকে সারা দিয়ে পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে রাম মন্দির গড়ার নকশা জমা পরল প্রায় ৪৫০ টি

রাজ্য সংবাদ: কিছুদিন আগে দেশে খারাপ পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও রাম মন্দিরের ভূমি পূজা সম্পন্ন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে।ভূমি পুজো হওয়ার পর থেকেই উপযুক্ত সময় বেছেই রাম জন্মভূমি অযোধ্যা শুরু হয়ে গিয়েছে রাম মন্দিরের নির্মাণ কার্য। এ রাম মন্দির তৈরি করার জন্য মোট জমির পরিমাণ রয়েছে ৬৭ একর।

 

৬৭ একর জমি উপর পুরোপুরি  পরিবেশ বান্ধ ভাবেই এই সুবিশাল রাম মন্দির এর আয়োজন করা হয়েছে। তাই ট্রাস্ট থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আর্কিটেকচার দের বলা হয়েছিল নকশা পাঠানোর জন্য। সেই কথা মতোই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আর্কিটেকচারাল নকশা পাঠাতে শুরু করেছে ট্রাস্টের  তীর্থক্ষেত্র। নভেম্বর মাসের 25 তারিখ কি ছিল নকশা পাঠানোর শেষ দিন।জানা গিয়েছে বর্তমানে প্রায় ৪৫০ নকশা জমা পড়েছে ট্রাস্ট অফিসে ।

 

জানা গিয়েছে, ৬৭ একর জমির মধ্যে শুধুমাত্র ২.৭ একর জমির মধ্যেই রাম মন্দির তৈরি করা হবে।বাকি এলাকাটিতে বিভিন্ন মন্দির তৈরি করা হবে। আরো জানা গিয়েছে মন্দির নির্মাণ কাজে কোন লোহার ব্যবহার হবে না। তার বদলে ব্যবহার করা হবে ১০ হাজার  তামার রডের। ট্রাস্টের তরফ থেকে জানা গেছে রাম মন্দিরের জন্য দুর্লভ গোলাপি রঙের বেলে পাথর ব্যবহার করা হবে। যেটা শুধুমাত্র পাওয়া যায় রাজস্থানের বাসি পাহাড়পুর ব্লকের ভরতপুর বন্ধ অভয়ারণ্যে।

রাজ্য সংবাদ

তবে এই সমস্ত কাজকর্ম করার আগে সারা দেশ থেকে পাঠানো হয়েছে প্রায় ৪৫০ নকশা, যেগুলি দেখতে হবে ট্রাস্টের সদস্যদের। সদস্যদের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বেছে নিতে হবে সেরা নকশাটিকে। জানা যায় এই বিশেষ কার্যের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে ইতিমধ্যে। এই দল সঠিক নকশাটি বেছে নেওয়ার পরই রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হবে। এই দলের ট্রাস্টের সদস্য ছাড়াও বিশেষজ্ঞ ও সাধু-সন্তরা থাকবে। বাস্তুর দিকটিও দেখা হবে খতিয়ে। পুরো কাজটি হবে ইকো ফ্রেন্ডলি ও পরিবেশ বান্ধব।

 

তার ফলে গাছপালার প্রাধান্য অনেকটাই লক্ষ্য করা যাবে। এর জন্য পরিবেশবিদদের ও পরামর্শ নেয়া হতে পারে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে নক্ষত্র বাটিকা তৈরির বিষয়টি তদারকি করবেন বলে জানা গিয়েছে।গোটা এলাকাটিতে বৈদ্যুতিক সংযোগের জন্য সোলার সিস্টেম গরে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে করে সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এই গোটা মন্দিরে আলোকিত করা যায়। জানা গিয়েছে এই মন্দিরের কার্য সম্পন্ন তিন বছরের মধ্যে করার কথা জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।