সকল রাজ্যের জিএসটি ক্ষতিপূরণ মেটানোর জন্য নিজেই টাকা ধার নেবে কেন্দ্র

 

রাজ্য সংবাদ:বর্তমান পরিস্থিতির কারণেই জিএসটি সংগ্রহালয়ে আর্থিক লোকসানে দেখা দিয়েছে। তার ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিগত কয়েক মাস ধরেই কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যগুলির বিরোধী কথা চলছিল।অধিকাংশ  রাজ্যের দাবি ছিল যে এই ক্ষতিপূরণ কেন্দ্র নিজেই ম্যাটাক।পাল্টাব মোদি সরকার সাফ জানিয়ে দেয়,কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ঋণ নেওয়া সম্ভব নয়। রাজ্যগুলি নিজেরাই ধার নিয়ে টাকা মেটাক।

তবে অবশেষে নয়াদিল্লি জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্র বনাম রাজ্যগুলির মন্বন্তর শেষ  হল। জানানো হয়েছে কার নিজেই ঋণ নেবে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে সেই টাকা দেয়া হবে রাজ্যগুলি কেউ। শনিবারের শেষে ঝাড়খন্ড সরকার এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। অর্থমন্ত্রীর নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যের জিএসটি ক্ষতিপূরণের আওতায় চলে এসেছে আর সমস্যা নেই।

রাগ কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলি অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন। কেননা অ-বিজেপি রাজ্যগুলিতে এর প্রভাব বেশি দেখা দিচ্ছিল। একের পর এক জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে তারা অর্থমন্ত্রীকে জানিয়ে দেখো ত্রিপুরার মেটাতে ঋণ নেবে না কেন্দ্র। তবে প্রবল চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্র বাধ্য হয়ে এই বিশেষ ঋণগ্রহণ নিতে চলেছে। কেন্দ্রের নবতম প্রস্তাব ছিল তারাই ঋণ নেবে এবং রাজ্যগুলিকে সেই টাকা প্রদান করবে।

পাশাপাশি রাজ্যগুলি আরো ও ঋণ নিতে পারবেন। অর্থাৎ যে পরিমাণ ধার নেওয়ার অধিকার আছে রাজ্যগুলির তার থেকেও বেশি নেওয়ার জন্য নিয়ম শিথিল করা হয় সেদিন। এই ব্যবস্থা টিকে প্রত্যেকটি রাজ্যের মেনে নিয়েছেন। স্থির হয়েছে আগামী দিনে জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করা শেষ থেকে ওই টাকা মেটাবে বিভিন্ন রাজ্য সরকার। একমাত্র ঝারখন এই সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সময় লাগিয়েছে।

এদিন ঝাড়খন্ড সরকারেও এই সিদ্ধান্তে সম্মতি জানিয়েছেন বলে দাবি অর্থ মন্ত্রকের। দেশের ২৮টি রাজ্য ইতিমধ্যেই এই নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পেতে শুরু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে রাজ্যগুলিকে।