নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য মাথায় হাত মধ্যবিত্তের, বাজারে আলু ৪৫ টাকা, আর পেঁয়াজ ৭৫ টাকা.. 

 

বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে মানুষ ভাবতে শুরু করে দিয়েছে কয়দিন পরে বাজার যাওয়ার মুশকিল হয়ে যাবে| আগের মতো সেই ৩০০ টাকা নিয়ে ব্যাগ ভর্তি বাজার আর আশাই করা যায় না| বাজারে গেলেই গুনতে হয় মোটা টাকা| আর দিন দিন যেভাবে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে তাতে মধ্যবিত্তের মাথায় হাত| সংসার চলবে কি করে? মাছ-মাংস তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় আলু পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া| 

 

আজ মঙ্গলবার কলকাতার বাজারে এক কেজি জ্যোতি আলুর দাম প্রায় ৪৫ টাকা| আর যদি কেউ ভেবে থাকে সাত করে চন্দ্রমুখি আলু কিনবে তাহলে আরো বেশি দাম গুনতে লাগবে তা হল কেজিপ্রতি ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা| এ তো গেল আলুর কথা যেটা আমাদের নিত্য প্রয়োজন হয় সব সবজির মধ্যে তা হল পেঁয়াজ যার এখন বাজারদর ৭০ থেকে ৭৫ টাকা এক কিলো| 

 

শীতের আমেজ কেবল শুরু হল, কিন্তু কোন কিছু শান্তি করে খাওয়ার উপায় রইল না| তাই শহরবাসীর এই শীতের মধ্যেও কেমন যেন আগুন লাগার পরিস্থিতি হয়ে গেছে| কারণ এই শীতের মধ্যে সবজির দাম এতটাই বেশি বৃদ্ধি পেয়ে গেছে যে কেউ ঠিকমতন কেনাকাটা করতে পারছেন না আর মধ্যবিত্তের কথা তো বলাই বাহুল্য| মধ্যবিত্তের মধ্যবিত্তের পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে তারা ভাবতে শুরু করে দিয়েছে যে এভাবে চলতে থাকলে কয়েকদিন পরে তারা খাবে কি করে| 

 

অপরদিকে দোকানদাররাও কাস্টমারের এমন পরিস্থিতি দেখে একটু কষ্টই অনুভব করছেন| তাদের মতে বাজারের এই আলু ও পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ হলো| এবছর অতিবৃষ্টির কারণে এখন পর্যন্ত নতুন আলু বাজারে না আসার কারণে আলুর দাম বেড়েই চলেছে| তারা জানাচ্ছেন যতদিন পর্যন্ত নতুন আলু মার্কেটে না আসছে ততদিন পর্যন্ত আলুর দাম বৃদ্ধি থাকবে| যদিও তাদের আশা খুব শীঘ্রই নতুন আলু আশায় দাম কিছুটা হলেও কমবে| 

 

আরেকদিকে সবজির দাম নিয়ে শুরু হয়ে গেছে রাজনীতি| মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ভাবছেন কীভাবে সবজির দাম কে নিয়ন্ত্রিত  করা যায়| তবে মুখ্যমন্ত্রী ও সরকার আশাবাদী যে খুব শীঘ্রই এই দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে|