ম্যারাথন বৈঠকের ফল না মেলায়, সরকারকে দীর্ঘ আন্দোলনের হুমকি দিয়ে নতুন রণনীতি নিয়ে এগোতে চলেছে কৃষকেরা |

 

গত ৮ দিন ধরে চলছে কৃষকদের এই আন্দোলন ,তাতেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দের মোদি সরকার ।হাজারে হাজারে কৃষক আন্দোলনে সামিল হওয়ার জন্য দিল্লি যাছেন । তারা সাধারনত কৃষি বিলের প্রতিবাদের জন্য এই জমায়েত করছেন।গতকাল বিজ্ঞান ভবনে এই নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠক ডাকা হয় সরকারের তরফ থেকে , এই বৈঠকে ছিলেন আমাদের কৃষি মন্ত্রি ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি দল এছাড়াও এই বৈঠকে ছিলেন কৃষকদের তরফ থেকে ৪০ জনের একটি প্রতিনিধি দল । এই বৈঠকে ৭ ঘন্টা আলোচনার পরেও কোনো সমাধান পাওয়া যাইনি ।

শেষ পযন্ত দুই দলের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আগামি ৫ তারিখে আবার বৈঠকে বসবে তারা । কিন্তু কৃষক প্রতিনিধিরা এই বৈঠক হওয়ার আগেই তাদের আগামি নতুন রননীতি বানিয়ে নিতে চান । তাই তারা শুক্রবারই কৃষকদের নিয়ে একটি বৈঠক বসে বেলা ১১ টায়।যেখানে আগামি দিনের রনকৌশল তৈরী করা হবে।

 

ম্যারাথন বৈঠকের ফল না মেলায়, সরকারকে দীর্ঘ আন্দোলনের হুমকি দিয়ে নতুন রণনীতি নিয়ে এগোতে চলেছে কৃষকেরা |

 

বৃহস্পতিবার দিল্লি বিজ্ঞান ভবনে যে গুরুত পূন বৈঠক ডাকা হয় সেখানে কৃষকদের তরফ থেকে ৪০ জনের একটি প্রতিনিধি দল যোগদান করেন ।অপরদিকে, সরকারের তরফ থেকে ছিলেন কৃষি মত্নি নরেন্দ সিং তোমার,কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ কোয়েল। অপরদিকে কৃষকদের তরফ থেকে ৪০ জনের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

এদিন দুপুর ১২ টায় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে বৈঠকের কৃষকদের প্রতিনিধিদের তরফ থেকে একটি খোসা প্রদানের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের দাবি দাবা সরকারের সামনে তুলে ধরেন। বৈঠকের মধ্যে কৃষকদের ব্যবহার দেখে মনে হয় যে তারা সরকারের সাথে কোনরকম আপস করতে মোটেও রাজি নয়। তারা তাদের দাবিদাবা না পূরণ করে কোনমতেই আন্দোলন স্থগিত করতে চান না।

এদিন দুপুরে সরকারের তরফ থেকে কৃষকদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। কিন্তু কৃষক প্রতিদিন মন্ডল সরকারের এই খাবারকে প্রত্যাখ্যান করেন। আর এই দৃশ্য ছবি রূপের সোশ্যাল মিডিয়াতে আসতেই তা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এবং একটি বিতরকের আলোচনা বিষয় হয়ে যায়।

নতুন কৃষি আইন কৃষকদের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনবে। এই ধারণা তারা কোন রকম সরকারের সাথে আপোষ না করেই এই আইন বাতিলের দাবি করেন। আর এই আইনের বিরোধীতা করে আন্দোলনে নামেন গোটা দেশের প্রায় ৩২ টি কৃষি সংগঠন। আর গোটা দেশজুড়ে এই আন্দোলনে যোগদান করেন প্রায় ১২ লক্ষেরও অধিক কৃষক।