শিশুদের প্রথম ছয় সাধারণত দুধ খেয়ে এই থাকে, তাই শিশুদের দুধ খাওয়ানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং উপকারী । অশিক্ষিত হওয়ার কারণে ৮০ পার্সেন্ট মহিলাই জানেনা সঠিক নিয়ম কিভাবে তারা তাদের সন্তানকে স্তন পান করাবে । সঠিক নিয়মে স্তন পান না করলে মিলবে না সঠিক উপকারিতা এটা আসলে অনেকেরই অজানা । যদি শিশুকে সঠিক মত স্তন পান না করানো হয় তাহলে শুধু শিশুর পেট ভরবে কিন্তু শারীরিক গঠনের দিক থেকে অনেকটাই দুর্বল থেকে যাবে সন্তান ।
আমরা অনেক সময় দেখে থাকি মেয়েরা যখন শিশুদের স্তন পান করা তখন তাদের মনস্কো অনেক সময় অন্যদিকে চলে যায় কিংবা অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকেন , যেমন কারো সাথে কথা বলা বা কোন কিছু কাজ করা কিংবা বসে মোবাইল বা টিভি দেখা ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকে । মায়েরা কোনদিনই বুঝতে পারেনা যে এতে তিনি তার সন্তানের কত বড় ক্ষতি করে চলেছে । আসলে হয় কি শিশু যখন স্তন পান করে তখন মায়ের মন কিংবা শরীরের গঠন যদি ঠিকমতো না থাকে তাহলে শিশুটি সঠিক পরিমাণ পুষ্টি পায়ানা ।
আসো দেখি কিভাবে স্থান পান করানো উচিত,
যখন আপনি আপনার সন্তানকে স্তন পান করাবেন তখন আপনার পিঠের শিরদাঁড়া ও মাথা যেন সোজা থাকে , কেননা আপনি যদি সোজা হয়ে বসে স্তনপান করান তাহলে আপনার পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে সঠিক ভাবে কাজ করবে । পিটুইটারি গ্রন্থি সঠিকভাবে কাজ করার ফলে আপনার শরীরে যখন দুধ উৎপন্ন হবে সেই দুধ সঠিক পরিমাণ ফসফরাস, সোডিয়াম ,ক্যালসিয়াম দুধ এর সাথে আপনার সন্তানের শরীরটা যাবে, সোডিয়াম সন্তানের পক্ষে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ সোডিয়াম ব্রেনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় তাই প্রথম ৬ মাস সন্তানকে স্তন পান করানো উচিত ।
আরেকটি নিয়ম হলো শিশুকে স্তন পান করার সময় মাকে একাই কোন ঘরে বসে শিশুকে স্তন পান করানো উচিত এতে মায়ের মনোযোগ ঠিক থাকবে । এতে সন্তান সঠিক পরিমাণ পুষ্টি সম্পন্ন দুধ পাবে । আর যদি মায়ের মন অন্যমনস্ক থাকে তাহলে সন্তান সঠিক পরিমাণ পুষ্টি সম্পন্ন দুধ পায়না । যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে আপনি দেখবেন গরু যখন দুধ দে তখন আমরা আগে বাচ্চাকে দুধ খেতেদি এতে গাই বুঝতে পারে যে তার সন্তান দুধ পান করছে এর ফলে গায়ের মনোযোগ দুধ দেওয়ার থাকে তারপরে আমরা গায়ের কাছ থেকে দুধ বের করতে পারি নাতো পারিনা ।