একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা নিজের স্ব-ইচ্ছায় জীবন যাপন করতে পারে,রায় দিল আদালত

 

রাজ্য সংবাদঃ একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যদি তার স্বইচ্ছায় স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান, নিজের ইচ্ছায় সঙ্গীকে বেছে নিতে চান সেই স্বাধীনতা আছে তার। এমনই একটি রায় দিল ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। দেশে যখন লাভ জিহাদ এর অজুহাত খারা করে একের পর এক রাজ্য বিয়ের নামে ধর্মান্তর প্রতিরোধ আইন কার্যকর করতে উঠেপড়ে লেগেছেন সেই সময়েই ভিন্নধর্মী দম্পতিকে নিয়ে মামলার শুনানিতে এমনি রায় দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালত সাফ জানিয়ে দিল একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী তিনি তার স্বইচ্ছায় জীবন যাপন করতে পারবেন তাতে কোন ব্যক্তি বাধা দিতে পারবেন না।

ঘটনাটি, ইটাই সলমন নামের এক তরুণের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শিখা নামের এক তরুণী। তাই শিখার পরিবার ইটায় সালমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তারা অভিযোগ করেন তাদের মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। জোর করে সে কাকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে বাধ্য করেছিলেন ইটায় সালমন। সেই অভিযোগের কারণে শিখাকে শিশু কল্যাণ কমিটি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয় মুখ্য বিচারপতি। তার ফলে শিক্ষার দায়িত্ব তার বাবা-মায়ের হেফাজতে আসে।

তারপরই আদালতের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সালমন। আদালতে শিখা জানায় সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় সালমনকে বিয়ে করেন তিনি। আদালতে নিজের শংসাপত্র জমাদে শিখা ,১৯৯৯ সালের ৪ অক্টোবরে তার জন্ম। তাই আইনিভাবে শিখা প্রাপ্তবয়স্ক , তার পরেও তাকে স্বামীর কাছ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করে তার পরিবার। এর আগে গত সপ্তাহে ধর্মান্তর প্রতিরোধ আইন ৩২ বছরের এক মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার না করতে নির্দেশ দিয়েছিল ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। তাই এবার ইলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়ে দিল প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলা নিজেই ইচ্ছেয় জীবন কাটাতে পারেন এতে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি বাধা দিতে পারবে না।