কেন্দ্রের কৃষি আইন বাতিলের দাবীতে এবার একদিন প্রতীকী অনশন শুরু করেছে কৃষকেরা।

 

দিনের-পর-দিন আন্দোলন যেন জোরদার হয়ে উঠছে। কেন্দ্রের কৃষি আইন বাতিলের দাবীতে এবার একদিন প্রতীকী অনশন শুরু করেছে কৃষকেরা। আজ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয় অনুষ্ঠানের কর্মসূচী । কেন্দ্রের কৃষি বিল এর প্রতিবাদে যতগুলি কৃষি সংগঠন আন্দোলনে যোগ দেয় তারা সকলেই এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
আন্দোলনকারী কৃষকদের এই অনশন কর্মসূচিতে যোগ যোগ দেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আরবিন কেজরিওয়াল। অবশ্য তিনি পূর্বেই জানিয়েছিলেন যে কৃষকদের এই আন্দোলনে অনশন কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন। আর তাই তিনি আজ এই অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে তার সেই পূর্বের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন । তবে কৃষকদের এই কর্মসূচিতে আদমি পার্টির সুপ্রিমো যোগদান করেননি সঙ্গে যোগদান করেছেন আরো পার্টির বহু নেতা-নেত্রীরা। অপরদিকে কেন্দ্রের কৃষি আইন বাতিলের দাবীতে কৃষকরা দেশের সর্বত্র আন্দোলনের কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

অনশনে অংশগ্রহণ করে আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো জানিয়েছেন, কৃষকদের এই কৃষি আইন বাতিলের দাবি আন্দোলনকে তিনি আগে থেকেই সাপোর্ট করে আসছেন। এই কারণেই তাদের প্রতীকী অনশনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেজরিওয়ালের আবেদন মেনে আদাম আদমি পার্টির অন্যান্য আরো অনেক নেতা নেত্রী এই আন্দোলনে অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ।

অপরদিকে খুলে দেওয়া হয়েছে দিল্লি থেকে নয় দামি সীমান্তকে। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘদিন ধরে এই সীমানা বন্ধ ছিল। শনিবার সীমান্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার সঙ্গে দেখা করেন বিস্তারিত আলোচনার পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সীমানা খুলে দেওয়া হয় বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে উপায় পক্ষের সম্মতিতে এই সীমানা খোলা হয়।

কৃষকরা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে এই কৃষি আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থামাবেন না। অন্যদিকে কেন্দ্র সরকার, অন্যদিকে কেন্দ্রে সরকার কৃষকদের এই আন্দোলনকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। এর আগেই সরকার ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করে আলোচনার মাধ্যমে কৃষকদের এই সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছেন।

সরকার জানিয়েছেন যে তারা কৃষকদের সুবিধার্থে এই আইনের মধ্যে বিভিন্ন রকম সংশোধনী করতে পারেন। সরকারের তরফ থেকে কৃষকদের কাছ থেকে বিভিন্ন রকমের সংশোধনের জন্য প্রস্তাব দিতে বলেছেন। এরপরেও কৃষকরা এই আইন মেনে নিতে রাজি হননি । কৃষকদের দাবি কেন্দ্রের নতুন কৃষি আইন এর ফলে তাদেরকে বিভিন্ন রকম ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এছাড়াও তারা মনে করছেন কৃষকদের মুনাফা কর্পোরেট সংস্থা খাব… অপরদিকে সরকারের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে যে কৃষকদের স্বার্থেই নতুন কৃষি আইন আনা হয়েছে।