সৌরভের কি হয়েছিল, কেন হয়েছিল ডাক্তার কি বলল শুনেনিন

 

রাজ্য সংবাদঃ শনিবারে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় সৌরভ গাঙ্গুলী বুকে ব্যথা হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। তিনি খেলোয়ার জীবনে কয়েক পা এগিয়ে এসে বলকে পেটাতেন বাউন্ডারির বাইরে। মাঠ ছাড়াও বাড়িতে নিয়ম মেনে এক্সেসাইজ করতেন তিনি।

তাই প্রতিদিনের মতো সকালে এক্সেসাইজ করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। তখনই তিনি তার বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেই আলিপুর বেসরকারি হাসপাতালে ফোন করেন। হাসপাতাল তরফ থেকে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। সে কথা মত ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে তিনি হাসপাতালে আসেন। তারপরে তিনটের আগে ক্যাথোডে পাঠানো হয় সৌরভ গাঙ্গুলীকে।তবে হাসপাতলে আসার পরে দাদাকে প্রথমত কার্ডিওগ্রাফি ও ইসিজি করানো হয়।

রিপোর্টে দুটিতেই জটিলতা ধরা পড়ে। তার দাদাকে ক্যাথল্যাবে পাঠিয়ে দিয়েছিল চিকিৎসক। সকাল ১১ টা থেকে তিনটের মধ্যে গোটা পরীক্ষা প্রক্রিয়াটি করানো হয় সৌরভ গাঙ্গুলীর। ডক্টর রুপালি বসু জানায়,দাদার তিনটি ধ্বনিতে ব্লগ কে ছিল।তাই চিকিৎসকরা প্রথমে এনজিওপ্লাস্টি করে, তারপর সেন্ড বরষায়, ধমনী খুলতেই হৃদযন্ত্রের রক্ত সঞ্চালন শুরু হয়ে যায়।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন দাদাকে গোল্ডেন আওয়ার এর মধ্যে রাখতে পেরেছিল তারা।

গোল্ডেন আওয়ার ?  চিকিৎসক সুশান মুখোপাধ্যায় বলেন হৃদযন্ত্রে ধমনীর মধ্যে পৌঁছায় অক্সিজেন। ধমনী বন্ধ হয়ে গেলে কোষ সমষ্টি সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হয় না। ৬ ঘণ্টার মধ্যে সঠিক চিকিৎসা হলে বিপদ অনেকটাই এড়ানো যায়। এটাকেই বলা হয় গোল্ডেন আওয়ার। চিকিৎসক জানান অনেক ক্ষেত্রে গোল্ডেন আওয়ার নিয়ম মানেন না বহু মানুষ। আর তাতে সময় অতিক্রম হয়ে যায় এবং বিপদ বেড়ে যায়। তবে সৌরভ গাঙ্গুলী বিচক্ষণ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে হাসপাতলে ভর্তি হয়ে যায়।

তাই তাকে অনেকটাই বিপদের হাত থেকে এড়ানো গেছে। সৌরভ গাঙ্গুলীর বয়স ৪৮ হলেও তিনি ফিটনেস ধরে রেখেছেন। নিয়মিতভাবে তিনি এক্সারসাইজ করেন। তা সত্ত্বেও কিভাবে ধ্বনিতে ব্লকেজ হলো তার। চিকিৎসক রুপালি বসুর পরামর্শ দিচ্ছেন যে ৪০ পেরোলেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অবশ্যক। বছরে অন্তত একবার হলেও করানো দরকার। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলী অনেকদিন ধরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করারননি। তিনি বলেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা এক বছর অন্তর অন্তর করানো জরুরি। এতে শরীরের কিডনি পাকস্থলী ও হৃদযন্ত্র কি অবস্থায় আছে তা জানা যায়।