নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকরা ৪৮ দিন ধরে এই ঠান্ডার মধ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য কৃষক সংগঠনগুলির সাথে আট দফায় বৈঠক করেন কেন্দ্র। তবু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায়, শেষমেষ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কেন্দ্র ও কৃষক সংগঠনগুলির।

 

 

রাজ্য সংবাদঃ নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকরা ৪৮ দিন ধরে এই ঠান্ডার মধ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য কৃষক সংগঠনগুলির সাথে আট দফায় বৈঠক করেন কেন্দ্র। তবু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায়, শেষমেষ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কেন্দ্র ও কৃষক সংগঠনগুলির। তাই কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের বিবাদ এড়াতে সুপ্রিম কোর্ট আপাতত তিন কৃষি আইন কার্যকর করার ব্যাপারে স্থগিত জানিয়েছে। এর পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট এই পরিস্থিতি ঠিক করার জন্য ৪ জন সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করেছে।

আর এবার এই ৪ জন সদস্যের টিমকে নিয়ে উঠলো বিতর্ক।কৃষক সংগঠনগুলির দাবি যে ৪ জন সদস্যের টিম গঠন করা হয়েছে,কৃষকদের অভাব অভিযোগ শোনার জন্য। কিন্তু তারা চারজনই নতুন কৃষি আইন সমর্থন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাই কৃষক সংগঠনগুলি কেন্দ্রের লুকোনো কারচুপি বলে আখ্যা করেছেন।

সুপ্রিম কোর্ট যে চারজন সদস্য কমিটি গঠন করেছেন তাদের মধ্যে দুজন কৃষি অর্থনীতিবীদ অশোক গুলাটি এবং প্রমোদকুমার যোশী। এবং বাকি দুজন হলেন কৃষক সংগঠনের নেতা ভূপেন্দ্রসিং মান এবং অনিল ঘনওয়াত।কিন্তু এই চারজন সদস্য কৃষি আইনের পক্ষে কথা বলতে দেখা গিয়েছে কোন না কোন সময়।  এই চারজনের মধ্যে দুই কৃষক নেতা কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমারকে কৃষি আইন সমর্থন জানিয়ে স্মারকলিপিও পাঠিয়েছিলেন।

দেখা গেছে অর্থনীতিবীদ প্রমোদ কুমার জ্যোতি ছিলেন ইন্টার্নেশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ এশিয়ার ডিরেক্টর।আর প্রফেসর অশোক গুলাটি হলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। তিনি ছিলেন কমিশন ফর এগ্রিকালচারাল কষ্ট অ্যান্ড প্রাইস এর চেয়ারম্যান। এবং ভূপেন্দ্র সিং মান হলেন বিকেইউ-এর স্প্লিন্টার ইউনিট এর জাতীয় সভাপতি। তিনি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং এবং তার বিকেইউ ইউনিটের সমর্থক। তাঁর পুত্র গুর প্রতাপ মান হলেন পাঞ্জাবের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। অনিল ঘনওয়াত হলেন মহারাষ্ট্র ভিত্তিক শেতকারি সংগঠনের সভাপতি। এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন বিখ্যাত কৃষক নেতা শারদ যোশী। এই সংগঠনটি সরকারকে পুরোপুরি সমর্থন করছে এই তিনটি কৃষি আইনের ব্যাপারে।

আর কারণে কৃষক সংগঠনগুলির সুপ্রিম কোর্টের ওপর ভরসা পাচ্ছেন না। কৃষক সংগঠনগুলির দাবি সুপ্রিম কোর্ট যে কমিটি গঠন করেছে তারা প্রত্যেকে কৃষক আইনের পক্ষে।